পথচারীর মৃত্যু, ৬ জন সাময়িক বহিষ্কার
পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ
ছবি: প্রথম আলো
পুরান
ঢাকার পাটুয়াটুলীতে চশমা কেনাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
ছাত্রলীগের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষের মাঝে পড়ে
আতঙ্কগ্রস্ত এক পথচারী মারা গেছেন। ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে দুই ব্যবসায়ী ও
১৩ শিক্ষার্থী আহত হন। গতকাল বুধবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছয় ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সদস্য। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দুইটার দিকে পাটুয়াটুলীর নুরু অপটিক্যাল নামের দোকানে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী চশমা কিনতে যান। একটি চশমার দাম ২৫০ টাকা চাওয়া হলে তাঁরা ১০০ টাকা দিতে চান। দোকানের কর্মী ইমরান হোসেন অসম্মতি জানালে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগের ১০-১৫ জন কর্মী ওই দোকানে গিয়ে ইমরানের ওপর চড়াও হন। তাঁরা ইমরানের পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ইমরানকে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। ব্যবসায়ীরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা অগ্রণী ব্যাংক, দুটি দ্বিতল বাস ও নতুন ভবনের কয়েকটি গ্লাস ভাঙচুর করেন।
বেলা তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে এক হয়ে ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করেন। উভয় পক্ষের মধ্যে ঘণ্টা খানেক পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি ও সূত্রাপুর থানার পুলিশ সংঘর্ষ থামাতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। চারটার দিকে পুলিশ লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনের সড়কে সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে সুনীল ঘোষ নামের এক পথচারী (৬৫) অসুস্থ হন। মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথম আলোকে বলেন, মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত কারণে ওই পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি জনতা ব্যাংকের কর্মচারী বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি বৈঠক করে। এতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ছয় ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃত ছাত্ররা হলেন: ইমরান, রকি, হিমেল, সোহেল, জালাল ও বিনয় সরকার।
প্রক্টর কামালউদ্দীন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা জড়িত থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আখন্দ বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নন। বহিষ্কৃতরা সাধারণ ছাত্র বলে দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছয় ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সদস্য। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা দুইটার দিকে পাটুয়াটুলীর নুরু অপটিক্যাল নামের দোকানে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী চশমা কিনতে যান। একটি চশমার দাম ২৫০ টাকা চাওয়া হলে তাঁরা ১০০ টাকা দিতে চান। দোকানের কর্মী ইমরান হোসেন অসম্মতি জানালে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগের ১০-১৫ জন কর্মী ওই দোকানে গিয়ে ইমরানের ওপর চড়াও হন। তাঁরা ইমরানের পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ইমরানকে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। ব্যবসায়ীরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা অগ্রণী ব্যাংক, দুটি দ্বিতল বাস ও নতুন ভবনের কয়েকটি গ্লাস ভাঙচুর করেন।
বেলা তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে এক হয়ে ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করেন। উভয় পক্ষের মধ্যে ঘণ্টা খানেক পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি ও সূত্রাপুর থানার পুলিশ সংঘর্ষ থামাতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। চারটার দিকে পুলিশ লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনের সড়কে সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে সুনীল ঘোষ নামের এক পথচারী (৬৫) অসুস্থ হন। মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথম আলোকে বলেন, মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত কারণে ওই পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি জনতা ব্যাংকের কর্মচারী বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি বৈঠক করে। এতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ছয় ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃত ছাত্ররা হলেন: ইমরান, রকি, হিমেল, সোহেল, জালাল ও বিনয় সরকার।
প্রক্টর কামালউদ্দীন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা জড়িত থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আখন্দ বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নন। বহিষ্কৃতরা সাধারণ ছাত্র বলে দাবি করেন তিনি।