মনের মতো কাউকে পেলে গল্প করতে কে না চায়? নিজের অভিজ্ঞতার ওপর তৃতীয়পক্ষের
সমর্থন যে কোনো গল্পের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এ সুযোগ করে দিচ্ছে
সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলো। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, সামাজিক
যোগাযোগ সাইটের শতকরা ৮০ ভাগ তথ্যই আত্মকেন্দ্রীক। খবর টাইম ম্যাগাজিন-এর।
সকালে নাস্তা করতে গিয়ে দেখা গেলো, টেবিলে নতুন রেসিপি; পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এমন আয়োজনে আনন্দিত হয়ে ফেইসবুকের ওয়ালে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা। অথবা, সাইনোসাইটিসের কারণে নাক বন্ধ হওয়ায় সকালের অনুভূতির কথা। কিংবা নতুন কোনো জায়গায় ঘুরতে গিয়ে টয়লেটের বিপত্তির কথা। এ ধরনের ঘটনাগুলো চলে আসছে অনলাইনে; সোশাল মিডিয়ায়।
হাভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল নিউরোলোজিস্ট গবেষণাটি করেন। তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুক বা টুইটারে যেসব ছবি বা কমেন্টস জমা পড়ে, তার শতকরা ৮০ ভাগই হয়ে থাকে সাম্প্রতিক কোনো না কোনো ঘটনা। এভাবে নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার মাধ্যমেই সাইটগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।
হাভার্ডের গবেষক ডিয়ানা টামির ও জেসন মিটচেল জানান, আত্মকেন্দ্রীক তথ্য দিতেই অধিকাংশ ব্যবহারকারী স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। যেখানে নিজের খুব সাম্প্রতিককালের নানা ঘটনা থাকে।
শেয়ারিংয়ের অভ্যাস পরিণত হয়েছে নিত্যদিনের খাবার তালিকার মতো। যে কারণে ব্যবহারকারীদের ভাবনা, দৈনন্দিন কাজের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।
সকালে নাস্তা করতে গিয়ে দেখা গেলো, টেবিলে নতুন রেসিপি; পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এমন আয়োজনে আনন্দিত হয়ে ফেইসবুকের ওয়ালে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা। অথবা, সাইনোসাইটিসের কারণে নাক বন্ধ হওয়ায় সকালের অনুভূতির কথা। কিংবা নতুন কোনো জায়গায় ঘুরতে গিয়ে টয়লেটের বিপত্তির কথা। এ ধরনের ঘটনাগুলো চলে আসছে অনলাইনে; সোশাল মিডিয়ায়।
হাভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল নিউরোলোজিস্ট গবেষণাটি করেন। তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুক বা টুইটারে যেসব ছবি বা কমেন্টস জমা পড়ে, তার শতকরা ৮০ ভাগই হয়ে থাকে সাম্প্রতিক কোনো না কোনো ঘটনা। এভাবে নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার মাধ্যমেই সাইটগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।
হাভার্ডের গবেষক ডিয়ানা টামির ও জেসন মিটচেল জানান, আত্মকেন্দ্রীক তথ্য দিতেই অধিকাংশ ব্যবহারকারী স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। যেখানে নিজের খুব সাম্প্রতিককালের নানা ঘটনা থাকে।
শেয়ারিংয়ের অভ্যাস পরিণত হয়েছে নিত্যদিনের খাবার তালিকার মতো। যে কারণে ব্যবহারকারীদের ভাবনা, দৈনন্দিন কাজের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।
