দোকান থেকে উইন্ডোজ সেভেন, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার,
এক্স বক্স ৩৬০ সহ বেশকিছু পণ্য সরিয়ে ফেলার আদেশ দিয়েছে জার্মান এক আদালত।
খবর টাইম-এর।
রায়ে বলা হয়েছে, মাইক্রোসফটের বেশ কিছু পণ্যে মটরোলার ভিডিও কমপ্রেশন প্রযুক্তি বেআইনীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে ওই প্রযুক্তি মাইক্রোসফটের যেসব পণ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, তার সবই বাজার থেকে তুলে নিতে হবে।
মাইক্রোসফট ওই রায়ের বিপক্ষে পাল্টা আপিল করবে বলে জানিয়েছে।
যে প্রযুক্তি নিয়ে এই মামলা সেটি মটোরোলার তৈরি হলেও আদতে এটি মাইক্রোসফটের সঙ্গে গুগলের আইনি যুদ্ধ। গুগল সম্প্রতি মটোরোলার মবিলিটি অংশ কিনে নেয়। এর ফলে মটোরোলা মবিলিটির যাবতীয় পেটেন্ট এখন গুগলের মালিকানাধীন। গুগলের কিনে নেয়া ওই পেটেন্টগুলোর অন্যতম হলো ভিডিও কমপ্রেশনে ব্যবহৃত এইচ.২৬৪ প্রযুক্তি, যার ব্যবহার নিয়েই ওই মামলাটি করা হয় মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে।
জার্মানিতে এইচ.২৬৪ ভিডিও প্লেব্যাক-এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৩ সালে। একই পেটেন্টের অন্তর্ভুক্ত টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, এমপিইজি-ফোর, ৮০২.১১ এবং নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন প্রযুক্তি।
বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্লগে বলা হয়েছে, গুগলের করা এই মামলার পরবর্তী শিকার হতে পারে অ্যাপল। কারণ ওই প্রতিষ্ঠানটিও প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করে।
আলোচিত এই মামলায় ইউরোপিয়ান কমিশনসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তদন্ত করেছে।
রায়ে বলা হয়েছে, মাইক্রোসফটের বেশ কিছু পণ্যে মটরোলার ভিডিও কমপ্রেশন প্রযুক্তি বেআইনীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে ওই প্রযুক্তি মাইক্রোসফটের যেসব পণ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, তার সবই বাজার থেকে তুলে নিতে হবে।
মাইক্রোসফট ওই রায়ের বিপক্ষে পাল্টা আপিল করবে বলে জানিয়েছে।
যে প্রযুক্তি নিয়ে এই মামলা সেটি মটোরোলার তৈরি হলেও আদতে এটি মাইক্রোসফটের সঙ্গে গুগলের আইনি যুদ্ধ। গুগল সম্প্রতি মটোরোলার মবিলিটি অংশ কিনে নেয়। এর ফলে মটোরোলা মবিলিটির যাবতীয় পেটেন্ট এখন গুগলের মালিকানাধীন। গুগলের কিনে নেয়া ওই পেটেন্টগুলোর অন্যতম হলো ভিডিও কমপ্রেশনে ব্যবহৃত এইচ.২৬৪ প্রযুক্তি, যার ব্যবহার নিয়েই ওই মামলাটি করা হয় মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে।
জার্মানিতে এইচ.২৬৪ ভিডিও প্লেব্যাক-এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৩ সালে। একই পেটেন্টের অন্তর্ভুক্ত টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, এমপিইজি-ফোর, ৮০২.১১ এবং নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন প্রযুক্তি।
বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্লগে বলা হয়েছে, গুগলের করা এই মামলার পরবর্তী শিকার হতে পারে অ্যাপল। কারণ ওই প্রতিষ্ঠানটিও প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করে।
আলোচিত এই মামলায় ইউরোপিয়ান কমিশনসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তদন্ত করেছে।
